Thursday, 13 August 2026

Lecture 3 (Module 1 Session 3)

 

পিসিবি ট্রেনিং মডিউল -১, সেশন-৩ এর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নসমূহ

(এই প্রশ্নমালা শুধুমাত্র পিসিবি ধানমন্ডি কেন্দ্রের গ্রেড-সি ছাত্র-ছাত্রীদের অনুশীলনের জন্য প্রস্তুতকৃত)

 

 

১৩৭। সাধারণ ভাবে ওষুধ বলতে কি বোঝায়?

উত্তর: যা গ্রহণ করে আমারা রোগমুক্ত হই                              

  

১৩৮। ওষুধের উদ্দেশ্য কি?

উত্তর: ওষুধের একটায় উদ্দেশ্য রোগ মুক্তি

  

১৩৯। চিকিৎসাশাস্ত্রমতে ওষুধ বলতে কি বোঝায়?

উত্তর: সুস্বাস্থ্য রক্ষণাবেক্ষণ, রোগ প্রতিরোধ এবং অসুস্থতা থেকে সুস্থ হওয়ার জন্য আমরা যা যা করি তার সবই ঔষধের অন্তর্ভুক্ত।

  

১৪০। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম, খাদ্যাভ্যাস এগুলো কিসের অন্তর্ভুক্ত?

উত্তর: যেহেতু, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধুমাত্র মুখে ওষুধ খাওয়ার সাথে সাথে উপরোক্ত বিষয়গুলো সরাসরি ভূমিকা রাখে, সুতরাং, চিকিৎসাশাস্ত্রমতে উক্ত বিষয় গুলিও ওষুধের অন্তর্ভুক্ত

  

১৪১। ড্রাগ এবং মেডিসিন কি একই জিনিষ?

উত্তর: সাধারনত ওষুধের ইংরেজি পরিভাষা হিসাবে ড্রাগ এবং মেডিসিন দুটোকেই একই অর্থে ব্যবহার করা হয়।

  

১৪২। ড্রাগ কাকে বলে?

উত্তর: যে কোন বস্তু যা গ্রহণের পর শরীরে প্রতিক্রিয়া তৈরিতে সক্ষম তাকে ড্রাগ বলে

  

১৪৩। ড্রাগের উধাহরন কিকি?

উত্তর: ড্রাগের উধাহরন যেমন,

সিগারেট বা তামাকের নিকোটিন, চা-কফির ক্যাফেইন প্রভৃতি

  

১৪৪। ড্রাগের ব্যবহার কি?

উত্তর: সাধারণত ড্রাগ ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করা হয়। ড্রাগ রোগমুক্তি, রোগ প্রতিরোধ, রোগ সনাক্তকরণ এমনকি নেশা-দ্রব্য হিসাবেও ব্যবহৃত হয়

  

১৪৫। মেডিসিন কাকে বলে?

উত্তর: যে সব ড্রাগ শুধুমাত্র রোগমুক্তি ও রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয় তাদেরকে মেডিসিন বলে। সাধারণত, ড্রাগকে বিশুদ্ধ রূপে আহরণ করে তার সাথে বিভিন্ন উপাদান মিশিয়ে তৈরি হয় মেডিসিন।

  

১৪৬। মেডিসিনের উধাহরন কি কি?

উত্তর: মেডিসিনের উধাহরন যেমন এন্টিবায়োটিক

  

১৪৭। ড্রাগের উৎস কয় ধরনের?

উত্তর: ২ ধরনের। প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম উৎস

  

১৪৮। কোন কোন প্রাকৃতিক উৎস হতে ড্রাগ পাওয়া যায়

উত্তর: উদ্ভিদ, প্রাণীদেহ এবং খনিজ হতে

  

১৪৯। ড্রাগের প্রাকৃতিক উৎস কতগুলো?

উত্তর: ৩ টি

  

১৫০। ড্রাগের কৃত্রিম উৎস বলতে কি বোঝায়?

উত্তর: ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা ড্রাগকে কৃত্রিম ডাগ বলা হয়

১৫১। ওষুধের দোকানে যে সব ক্যাপসুল, ট্যাবলেট, সিরাপ সহ বিভিন্ন ওষুধ সাজায়ে রাখা হয়, সে গুলোকে কি নামে ডাকা হয়?

উত্তর: মেডিসিন

  

১৫২। প্রাচীনকালে মানুষ রোগমুক্তির জন্য যেসব ওষুধ ব্যবহার করতো, সে গুলো কি ধরনের ছিল?

উত্তর: ভেষজ

  

১৫৩। ”এবারস প্যাপিরাসবলতে কি বোঝায়?

উত্তর: ৬০ ফুট লম্বা এবং ১ ফুট চওড়া কাগজের উপর লেখা ভেষজ ওষুধের একটি প্রাচীন নথি, যেটি খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ১৬০০ বছর পূর্বে রচিত হয়েছিল

  

১৫৪। ”এবারস প্যাপিরাসকতগুলি ওষুধের বর্ণনা আছে?     

উত্তর: প্রায় ৭০০টি

  

১৫৫। ”এবারস প্যাপিরাসকতগুলি ফর্মুলা বা চিকিৎসার কথা বর্ণনা দেওয়া আছে?

উত্তর: ৮০০ টি

  

১৫৬। ইমহোটেপ কোন দেশের চিকিৎসক ছিলেন?

উত্তর: মিশরের

  

১৫৭। ইমহোটেপ কত বছর আগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২৭২৫ সালে ( অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৪৭৪৪ বছর আগে?

  

১৫৮। ইমহোটেপ কি বিষয়ে দক্ষ ছিলেন?

উত্তর: ইমহোটেপ মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য মমি তৈরির কৌশল আবিষ্কার করেছিলেন

১৫৯। ”এবারস প্যাপিরাসতথ্যমতে ইমহোটেপ কোন ধরনের গাছগাছড়া ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করেছেন?

উত্তর: ইমহোটেপের ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য হল, এসফাটিডা, খেজুর, রসুন, ক্যাস্টর অয়েল ইত্যাদি

  

১৬০। ইমহোটেপের পেশা সম্পর্কে কি জানা যায়?

উত্তর: তিনি একজন মিশরীয় সম্রাট বা ফারাও ছিলেন। তিনি একাধারে প্রথম স্থপতি, প্রথম প্রকৌশলী এবং প্রথম চিকিৎসক ছিলেন।

  

১৬১। ইমহোটেপ যুদ্ধে আহত সৈন্যদের কি ধরনের সেবা প্রদান করতেন?

উত্তর: তিনি যুদ্ধে আহত সৈন্যদের হাড় জোড়া লাগানোর জন্য বিশেষ ব্যান্ডেজ ও লতাগুল্ম ব্যবহার করতেন।

  

১৬২। চীনারা কত বছর আগে থেকে ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করছে?

উত্তর: চীনারা খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ বছর আগে থেকে ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করছে।

  

১৬৩। ”পেনটি-সাওকাকে বলে?

উত্তর: পেনটি-সাও একটি ভেষজ গ্রন্থ, যেটি শেন নাং নামে একজন চীনের সম্রাট প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ বছর আগে রচনা করেছিলেন

  

১৬৪। এখনো পর্যন্ত প্রাপ্ত সবচেয়ে পুরাতন চৈনিক ভেষজ বইয়ের নাম কি?

উত্তর: ”পেনটি-সাও

  

১৬৫। চীনের কোন বিজ্ঞানী চা আবিষ্কার করেন?

উত্তর: শেন নাং প্রথম চা আবিষ্কার করেন, এবং সেটার প্রস্তুত প্রণালী এবং এর ওষুধি গুণ সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেন?

১৬৬। চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত উদ্ভিদের শ্রেণি বিন্যাস ও মানদণ্ড তৈরি করেন কোন বিজ্ঞানী?

উত্তর: শেন নাং, খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২০০০ বছর আগে তিনি চিনের একজন রাজা ছিলেন

  

১৬৭। শেন নাং-এর তৈরিকৃত ওষুধের তালিকায় কতগুলো উদ্ভিদ, প্রাণী এবং খনিজ আছে?

উত্তর: ৩৬৫ টি

  

১৬৮। শেন নাং-এর উল্লেখিত ওষুধের মধ্যে আজও ব্যবহৃত হওয়া ওষুধের নাম গুলো কিকি?

উত্তর: রুবার্ব, পডোফাইলাম, জিনসেং, ইফিড্রা ইত্যাদি

  

১৬৯। চৈনিক ফার্মাকোপিয়ার ভিত্তি হিসাবে কোনটিকে ধরা হয়?

উত্তর: শেন নাং কর্তৃক রচিত পেনটি-সাও কে চৈনিক ফার্মাকোপিয়ার ভিত্তি হিসাবে ধরা হয়

  

১৭০। ”চরক সংহিতাকে রচনা করেছেন?

উত্তর: চরক।   যিনি কাশীর মহারাজের রাজবৈদ্য ছিলেন।

  

১৭১। ”চরক সংহিতাকত সালে রচিত?

উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৮০০ সালে

  

১৭২। ”চরক সংহিতাবইটিতে, ওষধি গুণ অনুযায়ী ভেষজ লতা-পাতাকে কত গুলো শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছিল?

উত্তর: ৫০টি শ্রেণি এবং প্রতিটি শ্রেণিতে ১০টি করে ওষুধ ছিল

  

১৭৩। চরক কি কি ডোজেস ফর্মে ওষুধ তৈরি করতেন?

উত্তর: চরক ওষুধগুলোকে ”আসব, ”অরিস্ট, ”বটিকা, ”চূর্ণ, ”তৈলইত্যাদি ডোজেস ফর্মে তৈরি করতেন

  

১৭৪। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের প্রথম বই হিসাবে কোন বইটাকে গণ্য করা হয়?

উত্তর: চরক রচিত ”চরক সংহিতাবইটিকে

  

১৭৫। চরকের কোন কোন বিষয়ে পাণ্ডিত্য ছিল?

উত্তর: চরক শারীরবিদ্যা, রোগতত্ব এবং ভ্রূণ বিদ্যা বিষয়ে সুপণ্ডিত ছিলেন

  

১৭৬। ভারতীয় চিকিৎসা শাস্ত্রের জনক বলা হয় কাকে?

উত্তর: চরক’ কে

  

১৭৭। আজ থেকে কত বছর আগে চরক তার বই ”চরক সংহিতারচনা করেছেন?

উত্তর: আজ থেকে প্রায় ২৮০০ বছর আগে।

  

১৭৮। প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতায় কে প্রথম চিকিৎসার পাশাপাশি অস্ত্রোপচার প্রবর্তন করনে?

উত্তর: শুশ্রুত

  

১৭৯। শুশ্রুত রচিত বইয়ে নামা কি?

উত্তর: শুশ্রুত সংহিতা

  

১৮০। শুশ্রুত সংহিতা বইটি কত সালে রচিত?

উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৬০০ সালে

  

১৮১। শুশ্রুত সংহিতা বইটিতে কত গুলো  ওষুধ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে?

উত্তর: ৭৬০ ধরনের ওষুধকে তাদের সাধারণ গুণ অনুযায়ী ৭টি গোষ্ঠীতে ভাগ করে বর্ণনা করা হয়েছে।

  

১৮২। কোন ভারতীয় অস্ত্রোপচার বা শল্যবিদ্যায় অসামান্য অবদান রেখেছেন?

উত্তর: শুশ্রুত

  

১৮৩। শুশ্রুত অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত কত গুলো যন্ত্রপাতির নকশা লিপিবদ্ধ করেন যা আজও অনুসরণ করা হয়?

উত্তর: ১২০ টি অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির নকশা লিপিবদ্ধ করেন

  

১৮৪। শুশ্রুতর বসবাস ও হাসপাতাল কোথায় ছিল?

উত্তর: শুশ্রুত বেনারসের অধিবাসী ছিলেন। গঙ্গা নদীর তীরে ছিল তার হাসপাতাল।

  

১৮৫। ফাদার অব মেডিসিন কাকে বলা হয়?     

উত্তর: হিপোক্রাটিস কে।

  

১৮৬। হিপোক্রাটিসের জন্ম কত সালে এবং কোথায়?

উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব ৪২৫ সালে গ্রিসে জন্মগ্রহণ করেন।

  

১৮৭। হিপোক্রাটিস রচিত কোন বই মেডিকেল কলেজে পড়ানো হয়?

উত্তর: ম্যাটেরিয়া মেডিকা

  

১৮৮। ম্যাটেরিয়া মেডিকা বইতে কি বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে?

উত্তর: বইটিতে অসংখ্য গাছগাছড়া-জাত ওষুধ, সেগুলো তৈরির প্রক্রিয়া, সেবন-বিধি ও মাত্র ইত্যাদি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে

১৮৯। ”হিপোক্রাটিক ওথবলতে কি বোঝানো হয়?

উত্তর: হিপোক্রাটিস নবীন চিকিৎসকদের পেশায় প্রবেশ কালে নৈতিকতার শপথ নেয়ার জন্য হিপোক্রাটিক ওথ তৈরি করেন, যা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আজো অনুসরণ করা হয়।

  

১৯০। ডিওসকোরাইডিস কত সালে এবং কোথায় জন্ম গ্রহণ করেন?

উত্তর: ৩০ খ্রিস্টাব্দে, তুরস্কে                                                                   

  

১৯১। ডিওসকোরাইডিস কোন সম্রাটের প্রধান চিকিৎসক ছিলেন?

উত্তর: রোমের সম্রাট নিরোর

  

১৯২। ”দ্যা মেটেরিয়া মেডিকাবইয়ের লেখক কে?     

উত্তর: ডিওসকোরাইডিস

  

১৯৩। ”দ্যা মেটেরিয়া মেডিকাবইয়ের বিষয় বস্তু কি?

উত্তর: ডিওসকোরাইডিস বিভিন্ন দেশের সহস্রাধিক গাছগাছড়ার ছবি এঁকে সেগুলোর ওষধি গুণাগুণের কথা লিপিবদ্ধ করেছন ”দ্যা মেটেরিয়া মেডিকাবইতে, যেটা তার মৃত্যুর দেড় হাজার বছর পরেও মেডিকেলে পাঠ্য বই হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। বইটি, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতে অনেকগুলো ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছিল।

  

১৯৪। গ্যালেন কত সালে এবং কোথায় জন্ম গ্রহণ করেন?

উত্তর: ১৩০ খ্রিস্টাব্দে রোমে জন্ম গ্রহণ করেন

  

১৯৫। কেন গ্যালেনকে প্রথম ফার্মাসিস্ট হিসাবে অবিহিত করা হয়?

উত্তর: কারণ তিনি চিকিৎসার পাশাপাশি ওষুধ সামগ্রী প্রস্তুত ও বিক্রি করতেন

  

১৯৬। কে প্রথম কোল্ড ক্রিম তৈরি করেন?

উত্তর: গ্যালেন। তিনি মলমকে উন্নত করে ইমালশান আবিষ্কার করেন, এবং পরবর্তীকে সেটা থেকে কোল্ড ক্রিম আবিষ্কার করেন।

  

১৯৭। রোম দেশে শব ব্যবচ্ছেদ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকার কারণে, গ্যালেন কি করেছিলেন?

উত্তর: গ্যালেন বানর ও শুকরের দেহ ব্যবচ্ছেদ করেন এবং সেখান থেকে মানব দেহ সম্পর্কে ধারনা লাভ করেন

  

১৯৮। মস্তিষ্ক সম্পর্কে গ্যালেন কি তত্ত্ব প্রদান করেন?

উত্তর: গ্যালেনের তত্ত্ব ”মস্তিষ্ক সব মাংসপেশির কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে

  

১৯৯। আরব চিকিৎসকদের ইতিহাস কত বছর পুরাতন?     

উত্তর: প্রায় ১০০০ বছর

  

২০০। প্রসিদ্ধ আরব চিকিৎসকদের নাম কি?

উত্তর: আল রাজী, ইবনে সিনা প্রমুখ

 

২০১। আল রাজীর চিকিৎসার মুল ভিত্তি কি ছিল?

উত্তর: রসায়ন (পূর্বে রসায়নকে আল-কেমি কি নামে ডাকা হত)

 

২০২। কোন চিকিৎসক প্রথম গাছগাছড়ার পরিবর্তে মূল উপাদান বা পিওর কেমিক্যাল ব্যবহার শুরু করেন?     

উত্তর: আল রাজী

 

 

২০৩। আল রাজী কোথায় কাজ করতেন?

উত্তর: পেশাগতভাবে আলরাজি ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত বিখ্যাত মুক্তাদিও হাসপাতালের প্রধান ছিলেন

 

২০৪। ইউরোপের বিজ্ঞানীরা আল রাজিকে কি নামে ডাকতেন?

উত্তর: ”র‌্যাজেসনামে ডাকতেন

 

২০৫। আল রাজী কত সালে এবং কোথায় জন্ম গ্রহণ করেন?

উত্তর: ৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ইরানে জন্ম গ্রহণ করেন

 

২০৬। কোন চিকিৎসক প্রথম গুটি বসন্ত এবং হামের চিকিৎসা শুরু করেন?  

উত্তর: আল রাজী

 

২০৭। আল রাজীর বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম কি?

উত্তর: (১) কিতাব আর মনসুরি 

         (২) আল হাউয়ি  

         (৩) মানলা ইয়াহ্দুরু আল-তাবীব

 

২০৮। ফুলের রেণু থেকে যে এলার্জি হতে পারে এটা কে প্রমাণ করেন?

উত্তর: আল রাজী

 

২০৯। ইবনে সিনা কত সালে এবং কোথায় জন্ম গ্রহণ করেন?

উত্তর: ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে পারস্যে জন্মগ্রহণ করেন

 

 

২১০। তিক্ত ও বিস্বাদ ওষুধকে সুমিষ্ট, সুস্বাদু ও সুগন্ধময় করার উপায় হিসাবে ইবনে সিনা কি আবিষ্কার করেন?                   উত্তর: সিরাপ

 

২১১। ট্যাবলেট মেশিন কোন বিজ্ঞানীর হাতে তৈরি কাঠের ছাঁচ দেখে তৈরি করা হয়েছে?                         উত্তর: ইবনে সিনা

 

২১২। ইউনানি চিকিৎসার প্রধান বিজ্ঞানী হিসাবে কাকে বিবেচনা করা হয়?

উত্তর: ইবনে সিনাকে

 

২১৩। ইবনে সিনা রচিত বইয়ের নাম কি?               উত্তর: ”কানুন

 

২১৪। কোন চিকিৎসক প্রথম গুটি বসন্ত এবং হামের চিকিৎসা সংক্রামক রোগ এবং যৌন রোগ সম্পর্কে ধারনা দেন?                         উত্তর:ইবনে সিনা

 

২১৫। কোন চিকিৎসক প্রথম রোগের শ্রেণিবিন্যাস ও স্বাস্থ্যবিধি প্রণয় করেন?

উত্তর: ইবনে সিনা।

 

২১৬। স্বাস্থ্যবিধির আওতায় রোগ সংক্রমণ কালে রোগীকে পৃথকভাবে রাখার ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন কে?                       উত্তর: ইবনে সিনা

 

২১৭। এলোপ্যাথি ওষুধের মূল অসুবিধা কি?    উত্তর: পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

২১৮। চিকিৎসার ধারা অনুযায়ী ওষুধের শ্রেণিবিভাগ কিকি?

উত্তর: (১) এলোপ্যাথি  (২) হোমিওপ্যাথি   (৩) আয়ুর্বেদী   (৪) ইউনানি

 

২১৯। হোমিওপ্যাথি কত সাথে এবং কার মাধ্যমে বিকশিত হয়েছিল?

উত্তর: অষ্টাদশ শতকে জার্মান চিকিৎসক ও রসায়নবিদ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের মাধ্যমে

২২০। আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসা কত বছরের পুরাতন?     উত্তর: প্রায় ৫০০০ বছর

 

২২১। আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসা শাস্ত্রের উৎপত্তি কোথায়?      উত্তর: ভারত বর্ষে

 

২২২। আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসা শাস্ত্রের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের নাম কি কি?

উত্তর: চরক, শুশ্রুত, ধন্বন্তরি, ভরদ্বাজ প্রমুখ

 

২২৩। আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসার মূল ভিত্তি কি?

উত্তর: চরক-সংহিতা ও শুশ্রুত-সংহিতা নামক বই দুটি

 

২২৪। আয়ুর্বেদীয় ধারার চিকিৎসকদের কি নামে ডাকা হয়?

উত্তর: ”কবিরাজবা ”বৈদ্য           

 

২২৫। ইউনানি নাম করনের ইতিহাস কি?

উত্তর: গ্রিসের ইউনান প্রদেশে সর্বপ্রথম এই চিকিৎসা ধারার উৎপত্তি হয়েছিল, সেখান থেকে এটি ইউনানি নামে পরিচিত

 

২২৬। ইউনানি চিকিৎসায় কি ভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?

উত্তর: রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রধান রোগীর নাড়ির গতি, মল-মূত্র ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয়।

 

২২৭। আয়ুর্বেদের সাথে ইউনানি চিকিৎসার ওষুধের পার্থক্য কি?

উত্তর: ইউনানি চিকিৎসাতেও আয়ুর্বেদের মতো উদ্ভিদ, প্রাণীজ বা খনিজ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এ চিকিৎসাতে ওষুধকে সুমিষ্ট, সুস্বাদু ও সুগন্ধময় করে তৈরি করা হয়

 

২২৮। ইউনানি ধারার চিকিৎসকদেরকে কি নামে ডাকা হয়?

উত্তর: ”হেকিমবা ”হাকিমবা ”তিব্বনামে ডাকা হয়

 

২২৯। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক ডিসপেন্সিং/বিক্রয় করার মাধ্যমে কি ধরনের অপরাধ সংঘটিত হবে?

উত্তর: ফার্মাসিস্টের শপথ ভঙ্গের অপরাধ হবে

 

২৩০। সাধারণ সর্দি - কাশিতে কি এন্টিবায়োটিক প্রদান করা যাবে?

উত্তর: না।   সাধারণ সর্দি-কাশিতে কোন এন্টিবায়োটিক লাগে না।

 

২৩১। যদি কোন ফার্মাসিস্ট অপ্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের পরামর্শ দেয় সেক্ষেত্রে তিনি কি ধরনের ভুল করলেন?

উত্তর: প্রথমত তিনি রোগীকে অতিরিক্ত আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন করলেন, দ্বিতীয়ত তিনি ডাক্তারের কাছে যাওয়া থেকে বিরত করে রোগীকে সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করলেন

 

২৩২। অপ্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে ফার্মাসিস্ট অপরাধ করলে, ফার্মেসী কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে যে সব আইনের আওতায় তাকে সোপর্দ করতে পারবেন সে গুলো কি কি?

উত্তর: (১) ভুল ওষুধ নির্ধারণ             (২) আর্থিক ক্ষতি 

(৩) রোগ নির্ণয়ে ভুল                      (৪) পেশাগত অপরাধ 

(৫) ওষুধের অপব্যবহার এবং             (৬) ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স তৈরি

 

২৩৩। । যদি কোন ফার্মাসিস্ট সাধারণ সর্দি-কাশিতে অপ্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের পরামর্শ দেয়, এবং রোগী সেটা ব্যবহার করে, এটাকে কি বলা হবে?

উত্তর: ওষুধের অপব্যবহার বলা হবে

 

 

২৩৪। এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহারে ফলে কি ধরনের সমস্যা হতে পরে?

উত্তর: ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স বা ঐ এন্টিবায়োটিকটি উক্ত রোগীর দেহে কার্যকারিতা হারাবে এবং ভবিষ্যতে আর কাজ করবে না

 

২৩৫। আইনগত ভাবে কোন পেশাজীবীরা রোগ নির্ণয় ও ওষুধের নাম, মাত্রা ও ব্যবহারের মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারবে?                উত্তর: ডাক্তার

 

২৩৬। ফার্মাসিস্টদের কাজ কি?

উত্তর: কোন ব্যক্তি প্রেসক্রিপশন নিয়ে দোকানে উপস্থিত হলে মান সম্পন্ন ওষুধ, ওষুধ খাওয়ার নিয়মাবলী, ওষুধ সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে রোগীকে বিশদ ধারণা দিয়ে রোগীকে সাহায্য করা।

 

২৩৭। জন্ডিসের সময় কোন কোন সাধারন ওষুধ খেলে ক্ষতি হতে পারে?

উত্তর: প্যারসিটামল, ভিটামিন-সি জাতীয় ওষুধ

 

২৩৮। ওষুধের সঠিক ব্যবহার কিসের উপর নিভর করে?

উত্তর: ডাক্তার, রোগী এবং ফার্মাসিস্টেও সম্পর্কের উপর

 

২৩৯। ওষুধের সঠিক ব্যবহার বলতে কি বোঝায়?

উত্তর: কোন ব্যক্তি অসুস্থ বোধ করা মাত্র ডাক্তারের পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ ক্রয় ও নির্দিষ্ট সময় মেনে ওষুধ ও পথ্য খাওয়া এবং ডাক্তার নির্দেশিত দিন পর্যন্ত ওষুধ খেতে বাধ্য থাকাকে ওষুধের সঠিক ব্যবহার বলে।

২৪০। যদি কোন ওষুধ প্রেসক্রিপশনে ৮ ঘণ্টা অন্তর দিনে ৩ বার করে ৭ দিন খেতে নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও, রোগী সেটা সঠিক ভাবে পালন না করে, তাহলে এটাকে কি হিসাবে গণ্য করা হবে?

উত্তর: ওষুধের অপব্যবহার হিসাবে গণ্য করা হবে

২৪১। ওষুধের অপব্যবহারের কারণ সমূহ কিকি?

উত্তর: (ক) প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ ক্রয়/বিক্রয় করলে

         (খ) প্রেসক্রিপশনে বর্ণিত ওষুধের মাত্রা অনুযায়ী না খেলে

         (গ) প্রেসক্রিপশনে বর্ণিত ওষুধের সময় অনুযায়ী না খেলে

         (ঘ) প্রেসক্রিপশনে বর্ণিত ও নির্দেশিত দিন পর্যন্ত ওষুধ না খেলে

 

২৪২। ওষুধের সঠিক ব্যবহারে ফার্মাসিস্টের দায়িত্ব ও কর্তব্য

উত্তর:

(ক) প্রথমে প্রেসক্রিপশনটি নির্ভুলভাবে পড়তে ও বুঝতে হবে

(খ) ওষুধের নাম, ডোজেস ফরম, ডোজ, দিনে কতবার খেতে হবে এবং কতদিন খেতে হবে তা পড়ে দেখতে হবে

(গ) প্রেসক্রিপশনে কোন পথ্য নির্দেশনা আছে কি না তা পড়ে দেতে হবে

(ঘ) কোন এন্টিবায়োটিকের নাম লেখা আছে কিনা দেখতে হবে

(ঙ) কোন জটিল রোগ যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি রোগের ওষুধের নাম আছে কিনা দেখতে হবে।

(চ) কোন ধরণের রোগী যেমন শিশু, কিশোর, প্রাপ্তবয়স্ক, বয়োজ্যেষ্ঠ ইত্যাদি বিবেচনা করতে হবে

 

২৪৩। স্বাস্থ্য সেবায় মাল্টিল্যাটারাল এজেন্সি বা বহুমাত্রিক সংস্থা কাকে বলে?

উত্তর: যেসব এজেন্সির অর্থ সাহায্য বিভিন্ন দেশের সরকার ও অন্যান্য উৎস হতে প্রাপ্ত তাকে মাল্টিল্যাটারার এজেন্সি বা বহুমাত্রিক সংস্থা বলা হয়।

 

২৪৪। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে কোন কোন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতামূলক কার্য পরিচালনা করে?

উত্তর: গোদ রোগ, কালাজর¦, কুষ্ঠ, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, কৃমি, এইডস্ ও বার্ড ফ্লু

 

২৪৫। জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থার নাম কি?             উত্তর: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

 

২৪৬। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাটির প্রধানতম উদ্দেশ্য কি?

উত্তর: সর্বোচ্চ সম্ভব পর্যায়ে জনসাধারণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা

 

২৪৭। স্বাস্থ্য সেবায় মাল্টিল্যাটারাল এজেন্সি বা বহুমাত্রিক সংস্থাগুলোর নাম কিকি?

উত্তর:

·            বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন

·            জাতিসংঘের শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ

·            বিশ্ব ব্যাংক বা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক

·            জাতিসংঘের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ তহবিল বা ইউএনএফপিএ

·            জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি

 

২৪৮। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাটির কার্যাবলী কি কি?

উত্তর:       

(১) প্রধান কাজ হচ্ছে, আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচিগুলোর সঠিক নির্দেশনা দেওয়া ও এগুলোর সঠিক সমন্বয় সাধন করা

(২) বিভিন্ন দেশ ও সংস্থাকে স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য প্রদান করা

(৩) স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণা কাজকে উৎসাহিত করা

(৪) বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তিকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা, ইত্যাদি

 

২৪৯। ইউনিসেফ প্রধানত কাদের নিয়ে কাজ করে?   উত্তর: শিশুদের নিয়ে

 

২৫০। ইউনিসেফ এর অর্থ কোথা থেকে আসে?

উত্তর: ইউনিসেফের বাজেটের ৭০ ভাগ আসে বিভিন্ন সরকারের দান হতে এবং বাকি ৩০ ভাগ আসে ব্যক্তি পর্যায়ের দাতাদের কাছ থেকে

২৫১। বাংলাদেশে বহুল প্রচারিত মিনা কার্টুন কারা প্রচার করে?    

উত্তর: ইউনিসেফ

 

২৫২। ইউনিসেফ কাদের পেছনে সিংহভাগ অর্থ খরচ করে?

উত্তর: অত্যন্ত দরিদ্র দেশগুলির অনূর্ধ্ব ৫ বছর এর শিশু যাদের স্বাস্থ্য সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ

 

২৫৩। ইউনিসেফ বাংলাদেশে কি কি প্রকল্প পরিচালনা করে থাকে?

উত্তর: (১) মীনা কার্টুন প্রচার    (২) আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য তত্ত্ব বিষয়ক কর্মশালা

(৩) শিশুশ্রম বিষয়ক কর্মশালা  (৪) শহরের বস্তিগুলিতে স্বাস্থ্যেও মান উন্নয়ন ইত্যাদি

 

২৫৪। বিশ্ব ব্যাংকের কাজ কি?

উত্তর: দরিদ্র দেশগুলিকে সুবিধাজনক শর্তে স্বাস্থ্যশিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক উন্নয়নের জন্য ঋণ প্রদান করে যা প্রচলিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলি থেকে পাওয়া দুষ্কর

 

২৫৫। স্বাস্থ্য বিষয়ক ও মানব সম্পদ উন্নয়ন খাতে ব্যাংকটির প্রদত্ত ঋণের পরিমাণ কত?

উত্তর: বর্তমানে ২৫ শতাংশ যা ভবিষ্যতে ৫০ শতাংশে বৃদ্ধি পাবে

 

২৫৬। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কোন সমস্যাটির প্রতি বিশ্ব-ব্যাংক বেশি মনোযোগী?     

উত্তর: এইডস্

২৫৭। জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধে কোন সংস্থাটি বিভিন্ন দেশে আর্থিক ও নানাবিধ কারিগরি সাহায্য প্রদান করে থাকে?          

উত্তর: জাতিসংঘের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ তহবিল

 

২৫৮। জাতিসংঘের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ তহবিল বাংলাদেশ সরকারের সাথে কত সাল থেকে কাজ করছে?             উত্তর: ১৯৭৪ সাল থেকে

২৫৯। জাতিসংঘের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ তহবিল বাংলাদেশে কোন বিষয়ে কাজ করছে?

উত্তর: সংস্থাটি বাংলাদেশে মূলত প্রজনন স্বাস্থ্য ও মাতৃত্ব-কালীন স্বাস্থ্য বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে। এবং সরকারকে নানাবিধ কারিগরি ও পণ্য সহযোগিতা যেমন, জন্মনিরোধক পিল, কনডম ইত্যাদি প্রদান করে থাকে

 

২৬০। জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি কি নিয়ে কাজ করে?

উত্তর: এটি মূলত এইডস, মাতৃত্ব-কালীন স্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য ও মাতৃত্ব-কালীন মৃত্যুহার বিষয়ে কাজ করে থাকে

 

২৬১। দ্বি-পাক্ষিক সংস্থাগুলির কাজ কি?

উত্তর: এ ধরনের সংস্থা গুলি বিভিন্ন উন্নত দাতা দেশের অর্থ সাহায্যে গঠিত এবং তারা বিভিন্ন উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

 

২৬২। বাংলাদেশে কর্মরত পরিচিত দ্বি-পাক্ষিক সংস্থাগুলি নাম কিকি?

উত্তর:        (১) ইউএসএইড

                (২) এউকেএইড

                (৩) জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশর এজেন্সি (জাইকা)

 

২৬৩। এইএসএইড বাংলাদেশে কি নিয়ে কাজ করছে?

উত্তর: নারীদের প্রসূতিকালীন স্বাস্থ্য-ঝুঁকি এবং এইডস এর ঝুঁকি হ্রাসে বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে নানাবিধ প্রকল্প পরিচালনা করছে

 

২৬৪। এউকেএইড কোন কোন বিষয় নিয়ে কাজে করে?

উত্তর: মূলত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, ফার্মেসী সেবা বিষয়ক ক্ষেত্রে অর্থ সাহায্য প্রদান করে

 

২৬৫। এউকেএইড কাদেরকে অর্থ সাহায্য প্রদান করে?

উত্তর: এই সংস্থাটি বিভিন্ন দেশে তাদেও নির্বাচিত বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে অর্থ সাহায্য প্রদান করে

 

২৬৬। শিশু স্বাস্থ্য, প্রসূতিকালীন স্বাস্থ্য ইত্যাদি বিষয়ে সর্বাধিক অর্থসাহায্য প্রদান করে কোন সংস্থা?                     

উত্তর: জাইকা

 

২৬৭। জাইকা বাংলাদেশের কোন কোন বিষয়ে কাজ করে?

উত্তর:        (১) শিশু স্বাস্থ্য, প্রসূতিকালীন স্বাস্থ্য ইত্যাদি

(২) স্বাস্থ্য খাতে বিভিন্ন রকম সাহায্য যেমন অর্থ সাহায্য, কারিগরি সাহায্য, মানব সম্পদ উন্নয়ন সাহায্য ইত্যাদি প্রদান করে থাকে

 

২৬৮। বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত কতগুলো এনজিও আছে?      উত্তর: প্রায় ৪০০

 

২৬৯। বাংলাদেশে কর্মরত বিশেষভাবে পরিচিত এনজিও গুলোর নাম কি?

উত্তর:        (১) সেভ দ্যা চিলড্রেন      (২) এমএসএইচ             (৩) গ্রামীন ব্যাংক           (৪) ব্র্যাক     (৫) টিএমএসএস             (৬) আশা    (৭) কারিতাস ইত্যাদি

 

২৭০। বাংলাদেশে সেভ দ্যা চিলড্রেনের কয়টি সংস্থা কাজ করে?

উত্তর: ২টি।

(১) সেভ দ্যা চিলড্রেনে- ইউএসএ 

(২) সেভ দ্যা চিলড্রেনের – অস্ট্রেলিয়া

 

২৭১। সেভ দ্যা চিলড্রেনের বাংলাদেশে কোন কোন বিষয় নিয়ে কাজ করে?

উত্তর: মূলত স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এইডস ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করে

 

২৭২। এমএসএইচ এর পূর্ণরূপ কি?      উত্তর: ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথ

 

২৭৩। এমএসএইচ বাংলাদেশে কি নিয়ে কার করছে?

উত্তর: এটি একটি কারিগরি সহায়তা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা সংস্থা। এরা বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন দপ্তর/অধিদপ্তরসমূহের বিভিন্ন প্রকল্পে কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে থাকে

 

২৭৪। বাংলাদেশে এনজিও গুলো সাধারণত কোন কোন বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকে?

উত্তর: পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, শিশু স্বাস্থ্য, শিশুদের পুষ্টি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ, পরিবার পরিকল্পনা সহ দরিদ্র গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন বস্তিতে কাজ করে

 

২৭৫। বাংলাদেশে কাজ করে আন্তর্জাতিক এনজিও কোনগুলো?

উত্তর: রেড ক্রিসেন্ট ও রেড ক্রস

 

২৭৬। রেড ক্রিসেন্ট ও রেড ক্রস সংস্থা দুটি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করে?

উত্তর: এই সংস্থা দুটি মূলত বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগে তাদের সাহায্য প্রদান করে থাকে

 

২৭৭। কাদেরকে ফার্মাসিস্ট হিসাবে বিবেচনা করা হয়?

উত্তর: যে সব স্বাস্থ্য পেশাজীবী সরাসরি ওষুধ নিয়ে কাজ করেন, মূলত তারাই ফার্মাসিস্ট হিসেবে বিবেচিত

 

২৭৮। ফার্মাসিস্ট পেশাজীবীদের কাজ কি কি?

উত্তর:(১) ওষুধ তৈরি

(২) ডিসপেন্সিং

(৩) রোগীকে ওষুধ সম্পর্কে জ্ঞান প্রদান

(৪) ওষুধ বিষয়ক সচেতনতা তৈরি

(৫) ওষুধ সংরক্ষণ

(৬) ওষুধ পরিবহন, ইত্যাদি

 

২৭৯। একজন ফার্মাসিস্টেও সাধারণ দায়িত্বসমূহ কিকি?

উত্তর:

·  রোগীকে গুনগত মানসম্পন্ন ওষুধ প্রদান করা

·  নিয়মনীতি মেনে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা

·  ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী রোগীকে সঠিক ওষুধ প্রদান করা

·  ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণের নিয়মাবলী রোগীকে সঠিকভাবে জানানো

·  সব ওষুধ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা, বিশেষভাবে সংরক্ষিতব্য ওষুধের ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ

·  মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ডিসপেন্স/বিক্রি না করা

·  রোগীকে ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ওষুধ গ্রহণে উৎসাহিত করা

 

২৮০। কমিউনিটি ফার্মেসীকে কি হিসেবে বিবেচনা করা হয়?

উত্তর: কমিউনিটি ফার্মেসীকে স্বাস্থ্য সেবার প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়

  ২৮১। ফার্মাসিস্টরা কোথায় কোথায় কাজ করতে পারে?

উত্তর:        (১) ওষুধ উৎপাদন

(২) ওষুধ বাজারজাতকরণ

(৩) ওষুধ গবেষণা

(৪) ওষুধ প্রশাসন সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারে

 


 

পিসিবি ট্রেনিং মডিউল -১, সেশন- এর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নসমূহ

(এই প্রশ্নমালা শুধুমাত্র পিসিবি ধানমন্ডি কেন্দ্রের গ্রেড-সি ছাত্র-ছাত্রীদের অনুশীলনের জন্য প্রস্তুতকৃত)

 

২৮২। ওষুধ সম্পর্কৃত বিভিন্ন আইন/অধ্যাদেশসমূহ কিকি?

উত্তরঃ

(১) বিপজ্জনক ওষুধ আইন (The Dangerous Drug Act- 1930, 1951)

(২) ওষুধ আইন (The Drug Act – 1940, 1974)

(৩) ওষুধ বিধিমাল (The Drug Rules – 1945 Under the The Drug Act-1940)

(৪) দ্যা বেঙ্গল ড্রাগ রুলস-১৯৪৬ (The Bengal Drugs Rules-1946)

(৫) বিষ আইন-১৯১৯, ১৯৫২  (The Poison Act-1919,1952)

(৬) বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ (The Special Power Act-1974)

 (৭) ফার্মেসী অধ্যাদেশ/বিশেষ আইন-১৯৭৬,২০১৩ (The Pharmacy Ordinance /Special Act – 1976, 2013)

(৮) ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ (The Drugs (Control ) Ordinance -1982)

(৯) ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ-১৯৮২ (The Drugs (Control) (Amendment) Ordinance -1982)

(১০) ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ-১৯৮৪ (The Drugs (Control) (Amendment) Ordinance -1984)

(১১) মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯০ (Narcotics Control Act-1990)

 (১২) ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন-২০০৬ (Drugs (Control) (Amendment) Act -2006)

(১৩) মোবাইল কোর্ট আইন -২০০৯ (The Mobile Court Act-2009)

(১৪) ভোক্তার অধিকার রক্ষার আইন -২০০৯ (The Consumer’s Right Protection Act-2009)

 

২৮৩। বাংলাদেশ তথা ইংরেজ শাসিত ভারতীয় উপমহাদেশে ওষুধ সম্পর্কিত প্রথম আইন কোনটি?

উত্তর: বিষ আইন-১৯১৯ / The Poison Act-1919                                                                                   

 

২৮৪। বিপজ্জনক ওষুধ আইন কোন সালে গৃহীত হয়েছিল?      

উত্তর: ১৯৩০     

 

২৮৫। ফার্মেসী অধ্যাদেশ/বিশেষ আইন কত সালে গৃহীত হয়েছিল?

উত্তর: ১৯৭৬

 

২৮৬। ফার্মেসী অধ্যাদেশ/বিশেষ আইন সর্বশেষ কত সালে পরিবর্তন করা হয়েছে?

উত্তর: ২০১৩

 

২৮৭। মোবাইল কোর্ট আইন কোন সালে গৃহীত হয়েছিল?      উত্তর: ২০০৯                                                                                                 

 

২৮৮। ভোক্তার অধিকার রক্ষার আইন কোন সালে গৃহীত হয়েছিল?

উত্তর: ২০০৯

 

২৮৯। ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ কোন সালে গৃহীত হয়েছিল? 

উত্তর: ১৯৮২

 

২৯০। মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন কোন সালে গৃহীত হয়েছিল?  

উত্তর: ১৯৯০                                                                                                  

 

২৯১। কোন সালে ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন করা হয়েছিল?

উত্তর: ২০০৬                                                                                                  

২৯২। বিপজ্জনক ওষুধ বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হয় কোন আইনে?

উত্তর: বিপজ্জনক ওষুধ আইন ১৯৩০, ১৯৫১

 

২৯৩। বাংলাদেশে ওষুধ আমদানি, উৎপাদন, বণ্টন ও বিক্রয় করা হয় কোন আইনে?

উত্তর: ওষুধ আইন ১৯৪০, যেটি ১৯৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশের ওষুধ আইন হিসাবে গৃহীত হয়েছে                                                                                           

 

২৯৪। ওষুধ বিক্রয় ও উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স প্রাপ্ত সরকারি অ্যানালিস্ট ও ইন্সপেক্টরের দায়িত্ব ও কর্তব্য বর্ণনা করা হয়েছে কোন আইনে?

উত্তর: দ্যা বেঙ্গল ড্রাগ রুলস-১৯৪৬                                                                      

 

২৯৫। বাংলাদেশে বিষ জাতীয় পণ্য/দ্রব্যাদি আমদানি, মজুদ ও বিক্রয় করা হয় কোন আইনে? 

উত্তর: বিষ আইন-১৯৫২                                                  

 

২৯৬। বিষ (Poison) কাকে বলে?

উত্তর: যে সকল দ্রব্যাদি সামান্য পরিমাণে হলেও খাওয়ার পর মৃত্যু ঘটে বা প্রাণীকে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত করে এবং যে সকল দ্রব্যাদিকে নির্দিষ্টভাবে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষ বলা হয়েছে।                                                                 

 

২৯৭। ওষুধের লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া, লাইসেন্স করার শর্ত, নবায়ন করার প্রক্রিয়া, বৈধ লাইসেন্সের সময়সীমা ইত্যাদি সম্পর্কে কোন আইনে বলা হয়েছে?

উত্তর: দ্যা বেঙ্গল ড্রাগ রুলস-১৯৪৬ (The Bengal Drugs Rules-1946)

 

২৯৮। কোন আইনে খাদ্য, পানীয় ও ওষুধে ভেজাল দেয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?

উত্তর: বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ (The Special Power Act-1974)

 

২৯৯। ফার্মেসী অধ্যাদেশ/বিশেষ আইন-১৯৭৬, ২০১৩ (The Pharmacy Ordinance /Special Act – 1976, 2013) কি জন্য প্রণীত হয়েছে?

উত্তর: ফার্মেসী অধ্যাদেশ/বিশেষ আইন-১৯৭৬, ২০১৩ হচ্ছে বাংলাদেশে ফার্মেসী প্র্যাকটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য ফার্মেসী কাউন্সিল গঠন করা

 

৩০০। ফার্মেসী কাউন্সিলের সদস্য কারা হবে?

উত্তর: ফার্মেসী কাউন্সিল নিম্নোক্ত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হবে

(১) সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। পদাধিকার বলে তিনি এই কাউন্সিলের সভাপতি

(২) মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

(৩) মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর

(৪) চেয়ারম্যান, ফার্মেসী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

(৫) সরকার কর্তৃক মনোনীত চারজন সদস্য যাদের মধ্যে একজন মেডিসিনের প্রফেসর এবং একজন বাংলাদেশ মেডিকেল ইন্সটিটিউশনের ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রফেসর এবং দুইজন যোগ্যতা সম্পন্ন ফার্মাসিস্ট]

(৬) বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি কর্তৃক মনোনীত একজন যোগ্যতা সম্পন্ন ফার্মাসিস্ট

(৭) বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক মনোনীত একজন সদস্য

(৮) বাংলাদেশ কেমিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতি (BCDS) কর্তৃক মনোনীত এক জন সদস্য

(৯) বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটি কর্তৃক মনোনীত তিনজন সদস্য

প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার এই কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা বাড়াতে বা কমাতে পারে।

 

৩০১। ফার্মেসী কাউন্সিলের কাজগুলো কিকি?

উত্তর: (১) যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে ফার্মাসিস্ট হিসাবে নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে ফার্মেসী পরীক্ষার অনুমোদন দেয়া

(২) অনুমোদিত পরীক্ষা যে সকল বিষয়ের উপর হবে সে গুলো নির্দিষ্ট করে দেওয়া

(৩) অনুমোদিত পরীক্ষার জন্য ভর্তির উদ্দেশ্যে ফার্মেসী কোর্স ও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার অনুমোদন দেয়া

(৪) অনুমোদিত পরীক্ষায় প্রার্থী ভর্তির শর্ত ও প্রক্রিয়াগুলো নির্দিষ্ট করে দেওয়া

(৫) অনুমোদিত কোর্স পরিচালনাকারী ইন্সটিটিউটসমূহের শিক্ষার মান ঠিক করা যা তারা বজায়  রাখবে

(৬) শিক্ষার্থীরা যাতে যন্ত্রপাতি ও সুবিধাদি পায় সে ব্যবস্থা করে দেয়া

(৭) ফার্মাসিস্ট হিসাবে নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে ফার্মেসী ডিগ্রি ও ডিপ্লোমাকে স্বীকৃতি দেয়া

(৮) যেসব ইন্সটিটিউট ফার্মেসীর যেকোনো কোর্স পরিচালনা করবে, শিক্ষা দেবে এবং পরীক্ষা নেবে, তাদেও পরিদর্শন করা

(৯) ফার্মাসিস্ট ও ফার্মেসীতে শিক্ষানবিশদের রেজিস্টার তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা

(১০) ফার্মাসিস্টের নিবন্ধন করা ও নিবন্ধনের সনদপত্র অনুমোদন করা

(১১) ফার্মাসিস্ট হিসাবে নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া

(১২) আইনের বলে কাউন্সিলকে প্রয়োজনে অন্যান্য কার্যক্রম নেয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমতায়ন করা

 

৩০২। ওষুধ আমদানি, উৎপাদন, সরবরাহ/বণ্টন ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে কোন অধ্যাদেশ গৃহীত হয়েছিল?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ (The Drugs (Control ) Ordinnance -1982)

 

৩০৩। ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ তিনটি ভিন্ন শিডিউলের অন্তর্ভুক্ত ওষুধগুলোর ব্যাপারে কি নির্দেশ প্রযোজ্য?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ৮ম ধারামতে, সেগুলো উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রয় নিষিদ্ধ

 

৩০৪। কোন ব্যক্তির সুপারভিশন ছাড়া কোন ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয় করা যাবে না?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ১৩ম ধারা মতে, বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের যেকোনো নিবন্ধনে নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টের ব্যক্তিগত সুপারভিশন ছাড়া

 

৩০৫। কোন ব্যক্তি কি ওষুধের ব্যবহার বা চিকিৎসার দাবী সম্পর্কিত কোন বিজ্ঞাপন প্রচার করতে বা প্রচারের অংশ হতে পারবে?

উত্তর: পারবে, তবে সেক্ষেত্রে, ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ১৪ম ধারামতে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি নিতে হবে

 

৩০৬। অনিবন্ধিত বা ভেজাল মিশ্রিত কোন ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, বণ্টন ও বিক্রয় করলে কি সাজা দেওয়া হবে?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ১৬ম ধারামতে, উক্ত ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন যা ১০ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে

 

৩০৭। নিম্ন মানের ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয়ের সাজা কি?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ১৭ম ধারা মতে, উক্ত ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যা ৫ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে

 

৩০৮। অবৈধভাবে ওষুধ আমদানির শাস্তি কি?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ১৮ম ধারামতে, উক্ত ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যা ৩ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে

 

৩০৯। ওষুধ বেশি দামে বিক্রি বা ফার্মাসিউটিক্যালের কাঁচামাল বেশি দামে আমদানি ও বিক্রির শাস্তি কি?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ১৯ম ধারা মতে, উক্ত ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যা ২ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে

 

৩১০। সরকারি ওষুধ চুরির শাস্তি কি?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ২০ম ধারা মতে, উক্ত ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন যা ১০ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে

 

৩১১। বেআইনি বিজ্ঞাপন ও দাবীর শাস্তি কি?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ২১তম ধারা মতে, উক্ত ব্যক্তি ২৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে

 

৩১২। ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ২২ম ধারা মতে, কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কেমন হবে

উত্তর: (ক) এই অধ্যাদেশের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ অআমলযোগ্য হবে

(খ) এই অধ্যাদেশের অধীনে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধের বিচার ওষুধ আদালত (ড্রাগ কোর্ট) ব্যতীত অন্য কোন আদালত করতে পারবে না

 

৩১৩। ওষুধ কোর্ট কোন ব্যক্তি দ্বারা গঠিত হবে?

উত্তর: ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ এর ২৩ম ধারা মতে, ওষুধ কোর্ট সেশন জজ ও সরকার দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি দ্বারা গঠিত হবে

 

 

৩১৪। মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ কি নিয়ন্ত্রণ করে?

উত্তর: মাদক ও মনোযোগের ওষুধ/দ্রব্যাদি এবং চিকিৎসা ও মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন নিয়ন্ত্রণ করে

 

১৮৬। মাদক প্রেসক্রিপশনের নিয়ম কি?

উত্তর:

(১) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোন ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে কোন এ-শ্রেণি অথবা বি-শ্রেণির মাদককে ওষুধ হিসাবে লিখবে না,

(২) ডাক্তার ছাড়া কোন ব্যক্তি প্রেসক্রিপশনে কোন সি-শ্রেণির মাদককে ওষুধ হিসাবে লিখবে না

(৩) উপধারা (১) বা (২) অনুযায়ী প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি কোন মাদক একবারের বেশি কিনতে পারবে না

 

৩১৫। কোন দোকান সাময়িকভাবে বন্ধ করার ক্ষমতা কাদের আছে?

উত্তর:  (১) যদি একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা একজন পুলিশ কমিশনার তার সীমানার মধ্যে কোন মাদকের দোকানের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকে, তাহলে দোকানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে পরে।  লিখিত আদেশক্রমে, সর্বোচ্চ ১৫ দিন বন্ধ করে দিতে পারে, যা বোর্ডের অনুমতিক্রমে আরও ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে

(২) উপধারা (১) অনুযায়ী একটি আদেশের কপি সাথে সাথে মহাপরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে তার তথ্যের জন্য পাঠাতে পারে

 

৩১৬। মোবাইল কোর্ট আইন -২০০৯ কি ভাবে ওষুধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে?

উত্তর: মোবাইল কোর্ট আইন -২০০৯ শিডিউলের অধীনে ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ-১৯৮২ তালিকাভুক্ত

 

 

৩১৭। ভোক্তার অধিকার রক্ষার আইন -২০০৯ কি ভাবে ওষুধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে?

উত্তর: এই আইন ওষুধ বা সেবা নির্ধারিত দামের বেশি দামে বিক্রি করা, ভেজাল ওষুধ জেনে বিক্রি করা, ভেজাল ওষুধ উৎপাদন করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করা- এ বিষয়গুলি দেখে। এই আইনে এধরনের অপরাধের জরিমানা ও শাস্তি নির্ধারণ করে।

 

৩১৮। যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে ফার্মাসিস্ট হিসাবে নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে ফার্মেসী পরীক্ষার অনুমোদন দেয়া কাদের দায়িত্ব?

উত্তর: বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের

 

৩১৯। ফার্মাসিস্ট হিসাবে নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে ফার্মেসী ডিগ্রি ও ডিপ্লোমাকে স্বীকৃতি দেয়া কাদের দায়িত্ব?

উত্তর: বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের

 

৩২০। ফার্মাসিস্ট ও ফার্মেসীতে শিক্ষানবিশদের রেজিস্টার তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা কাদের দায়িত্ব?

উত্তর: বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের

 

৩২১। অনুমোদিত কোর্স পরিচালনাকারী ইন্সটিটিউট সমূহের শিক্ষার মান ঠিক করা কাদের দায়িত্ব?

উত্তর: বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের

 

৩২২। কোন ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে কোন এ-শ্রেণি অথবা বি-শ্রেণির মাদককে ওষুধ হিসাবে লিখতে চাইলে কার লিখিত অনুমতি লাগবে?

উত্তর: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের লিখিত অনুমতি

 

৩২৩। কোন ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে কোন সি-শ্রেণির মাদককে ওষুধ হিসাবে লিখতে চাইলে কার লিখিত অনুমতি লাগবে?  

উত্তর: কারো অনুমতি লাগবে না

 

৩২৪। ডাক্তার ছাড়া প্রেসক্রিপশনে কি আর কেউ কোন সি-শ্রেণির মাদককে ওষুধ হিসাবে লিখতে পারবে?   উত্তর: না পারবে না।

 

৩২৫। একজন রুগী ডাক্তার প্রেসক্রিপশন করা মাদক (এ-শ্রেণি অথবা বি-শ্রেণির অথবা সি-শ্রেণির মাদক) সর্বোচ্চ কয়বার কিনতে পরবে?

উত্তর: যে কোন মাদকের প্রেসক্রিপশন দিয়ে সর্বোচ্চ একবার ওষুধ কিনতে পারবে

 

৩২৬। বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের সভাপতি কে হবেন?

উত্তর: পদাধিকার বলে, সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

 

৩২৭। বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলে বাংলাদেশ কেমিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতি (BCDS) কর্তৃক কয়জন মনোনীত সদস্য থাকে? 

উত্তর: ৩ জন

 

৩২৮। বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি কর্তৃক কয়জন মনোনীত সদস্য থাকে?   

উত্তর: একজন যোগ্যতা সম্পন্ন ফার্মাসিস্ট

 


 

প্রাথমিক জ্ঞান পরীক্ষণ (সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দিন)

হিপোক্রাটিস খ্রিস্টপূর্ব কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

. ৪২৫        . ৪৫০       . ৫০০       . ৫৫০

কত সালে বাংলাদেশে ফার্মাসিস্টদের জন্য কোড অব ইথিকস গ্রহণ করা হয়?

. ১৯৮২   . ১৯৯০   . ১৯৯৪    . ১৯৯৮

কোন চিকিৎসা বিজ্ঞানী চিকিৎসাকদের নৈতিকতার শপথ নেওয়ার জন্য ওথ রচনা করেন?

. হিপোক্রাটিস  . ডিওকোরাইডিস   . আল রাজি  . ইবনে সিনা

অনেক ঐতিহাসিকের মতে প্রথম ফার্মাসিস্ট ছিলেন-

. গ্যালন  . ডিওকোরাইডিস   . আল রাজি   . ইবনে সিনা

ফার্মেসী অধ্যাদেশ ১৯৭৬ অনুযায়ী কতজন সদস্য নিয়ে ফার্মেসী কাউন্সিল গঠিত হয়?

. জন     . জন     . ১১ জন   . ১৪ জন       

ফাদার অফ মেডিসিন নামে কাকে অভিহিত করা হয়?

. হিপোক্রাটিস    . গ্যালেন    . ইমহোটেপ     . চরক

আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি কোনটি?

.  ইউনানী    . হোমিওপ্যাথি    . এলোপ্যাথি     . সবগুলো

কত সালে ফার্মেসি কাউন্সিল গঠিত হয়েছে?

. ১৯৭০    . ১৯৭৬      . ১৯৮২      . ১৯৭৩

ভেজাল ওষূধ উৎপাদন বিতরণ কারীর শাস্তি কী?

.  ১০ বছর পর্যন্ত জেল       . লাখ টাকা জরিমানা       

. যেকোন একটি              .    

১০

প্রথম কে চা আবিস্কার করেন?

. ইমহোটেপ    . শেন নাং    . চরক     . শুশ্রুত

 

1 comment:

Q40 (L6 M3S2)

 Q40  (L6 M3S2)  (PCB 64 batch Grade-C certificate registration exam preparation)   নিচে দেওয়া লিঙ্কটিতে ঢুকে  কুইজ পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করুন।...