Wednesday, 12 August 2026

Lecture 4: Module 1 Session 4

 

প্রশিক্ষণার্থী ম্যানুয়াল মডিউল- এর "সেশন-: ওষুধ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান" অংশের মূল পাঠ্য নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো: (Reference book Page Number 34-38)

Original Book pdf file:  Lecture 4: Module 1 Session 4 :

https://drive.google.com/file/d/1z2_GPxHJjSSExtq1FZbkcaoQZh5VMxeR/view?usp=sharing


প্রশিক্ষণার্থী ম্যানুয়াল মডিউল-১ এর "সেশন-৪: আইন/Acts, বিধি/Rules ও প্রবিধি/Regulations" অংশের মূল পাঠ্য নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো:

সেশন-৪: আইন/Acts, বিধি/Rules ও প্রবিধি/Regulations

  • বিপজ্জনক ওষুধ আইন (The Dangerous Drug Act), ১৯৩০, ১৯৫১
  • ওষুধ আইন (The Drugs Act), ১৯৪০, ১৯৭৪
  • ওষুধ বিধিমালা (The Drugs Rules), ১৯৪৫; ওষুধ আইন (The Drugs Act), ১৯৪০-এর অধীনে
  • দ্যা বেঙ্গল ড্রাগ বুলস (The Bengal Drugs Rules), ১৯৪৬
  • বিষ আইন (The Poison Act), ১৯১৯, ১৯৫২
  • বিশেষ ক্ষমতা আইন (The Special Power Act), ১৯৭৪
  • ফার্মেসী অধ্যাদেশ/ বিশেষ আইন (The Pharmacy Ordinance/Special Act), ১৯৭৬, ২০১৩
  • ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ (The Drugs (Control) Ordinance), ১৯৮২
  • ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ (The Drugs (Control) (Amendment) Ordinance), ১৯৮২
  • ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ (The Drugs (Control) (Amendment) Ordinance), ১৯৮৪
  • মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন (Narcotics Control Act), ১৯৯০
  • ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন (Drugs (Control) (Amendment) Act), ২০০৬
  • মোবাইল কোর্ট আইন (The Mobile Court Act), ২০০৯
  • ভোক্তার অধিকার রক্ষার আইন (The Consumers' Right Protection Act), ২০০৯

বিপজ্জনক ওষুধ আইন (The Dangerous Drug Act), ১৯৩০, ১৯৫১

বিপজ্জনক ওষুধ আইন, ১৯৩০ এবং ১৯৫১ বিপজ্জনক ওষুধ বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

ওষুধ আইন (The Drugs Act), ১৯৪০, ১৯৭৪

ওষুধ আইন, ১৯৪০ দেশের ওষুধ আমদানি, রপ্তানী, উৎপাদন, বন্টন ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের ওষুধ আইন হিসেবে গৃহীত হয়।

দ্যা বেঙ্গল ড্রাগ বুলস (The Bengal Drugs Rules), ১৯৪৬

দ্যা বেঙ্গল ড্রাগ রুলস, ১৯৪৬ ওষুধ বিক্রয় ও উৎপাদনের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত সরকারি অ্যানালিষ্ট ও ইন্সপেক্টরের দায়িত্ব ও কর্তব্য বর্নণা করে। এই আইনের পার্ট-৩ এ ওষুধ বিক্রয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। দ্যা বেঙ্গল ড্রাগ বুলসে লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া, লাইসেন্স করার শর্ত, নবায়ণ করার প্রক্রিয়া, বৈধ লাইসেন্সের সময়সীমা ইত্যাদি বলা হয়েছে।

বিষ আইন (The Poison Act), ১৯১৯, ১৯৫২

বিষ আইন, ১৯৫২ দেশে বিষ (Poison) জাতীয় পণ্য/দ্রব্যাদি আমদানি, মজুদ ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করে। যে সকল দ্রব্যাদি সামান্য পরিমাণে হলেও খাওয়ার পর মৃত্যু ঘটে বা প্রাণীকে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত করে এবং যে সকল দ্রব্যাদিকে নির্দিষ্টভাবে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষ (Poison) বলা হয়েছে সেই সকল দ্রব্যাদির আমদানি, মজুদ ও বিক্রয় এই আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

বিশেষ ক্ষমতা আইন (The Special Power Act), ১৯৭৪

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এ খাদ্য, পানীয় ও ওষুধে ভেজাল দেয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ভেজাল খাদ্য, পানীয় ও ওষুধ বিক্রির শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে।

ফার্মেসী অধ্যাদেশ/ বিশেষ আইন (The Pharmacy Ordinance/Special Act), ১৯৭৬, ২০১৩

ফার্মেসী অধ্যাদেশ/বিশেষ আইন, ১৯৭৬, ২০১৩ হচ্ছে বাংলাদেশে ফার্মেসী প্র্যাকটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য ফার্মেসী কাউন্সিল গঠন করা। ফার্মেসী কাউন্সিল নিম্নোক্ত সদস্যদের নিয়ে গঠিত:

১. সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। পদাধীকার বলে তিনি এই কাউন্সিলের সভাপতি;

২. মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর;

৩. মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর;

৪. চেয়ারম্যান, ফার্মেসী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়;

৫. সরকার কর্তৃক মনোনীত চারজন সদস্য যাদের একজন মেডিসিনের প্রফেসর এবং একজন বাংলাদেশ মেডিকেল ইনস্টিটিউশনের ফার্মাকোলোজি বিভাগের প্রফেসর [এবং দুইজন যোগ্যতা সম্পন্ন ফার্মাসিস্ট];

৬. বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি কর্তৃক মনোনীত একজন যোগ্যতা সম্পন্ন ফার্মাসিস্ট;

৭. বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক মনোনীত একজন সদস্য;

৮. বাংলাদেশ কেমিস্ট ও ড্রাগিস্ট সমিতি (BCDS) কর্তৃক মনোনীত একজন যোগ্যতা সম্পন্ন ফার্মাসিস্ট;

৯. বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটি কর্তৃক মনোনীত তিনজন সদস্য।

প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার এই কাউন্সিলের সদস্যসংখ্যা বাড়াতে বা কমাতে পারে।

ফার্মেসী কাউন্সিলের কাজগুলো হচ্ছে

১. যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে ফার্মাসিস্ট হিসাবে নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে ফার্মেসী পরীক্ষার অনুমোদন দেয়া;

২. অনুমোদিত পরীক্ষা যে সকল বিষয়ের উপর হবে সেগুলো নির্দিষ্ট করে দেয়া;

৩. অনুমোদিত পরীক্ষার জন্য ভর্তির উদ্দেশ্যে ফার্মেসী কোর্স ও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার অনুমোদন দেয়া;

৪. অনুমোদিত পরীক্ষায় প্রার্থী ভর্তির শর্ত ও প্রক্রিয়াগুলো নির্দিষ্ট করে দেয়া;

৫. অনুমোদিত কোর্স পরিচালনাকারী ইন্সটিটিউটসমূহের শিক্ষার মান ঠিক করা যা তারা বজায় রাখবে;

৬. শিক্ষার্থীরা যাতে যন্ত্রপাতি ও সুবিধাদি পায় সে ব্যবস্থা করে দেয়া;

৭. ফার্মাসিস্ট হিসাবে নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে ফার্মেসী ডিগ্রি ও ডিপ্লোমাকে স্বীকৃতি দেয়া;

৮. যেসব ইন্সটিটিউট ফার্মেসীর যেকোন কোর্স পরিচালনা করবে, শিক্ষা দেবে এবং পরীক্ষা নেবে, তাদের পরিদর্শন করা;

৯. ফার্মাসিস্ট ও ফার্মেসীতে শিক্ষানবিশদের রেজিস্টার তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;

১০. ফার্মাসিস্টদের নিবন্ধন করা ও নিবন্ধনের সনদপত্র অনুমোদন করা;

১১. ফার্মাসিস্ট হিসাবে নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া;

১২. আইনের বলে কাউন্সিলকে প্রয়োজনে অন্যান্য কার্যক্রম নেয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমতায়ন করা।

ওষুধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ (The Drugs (Control) Ordinance), ১৯৮২

ওষুধ আমদানি, উৎপাদন, সরবরাহ/বন্টন ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে এই অধ্যাদেশ বাংলাদেশে গ্রহণ করা হয়। এই অধ্যাদেশের আওতাধীন ধারাগুলি হচ্ছে:

  • ৮ম ধারা: যেসব ওষুধ এই আইনের তিনটি ভিন্ন সিডিউলের অন্তর্ভুক্ত, সেগুলো উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রয় নিষিদ্ধ।
  • ১৩তম ধারা: বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউন্সিলের যেকোন নিবন্ধনে নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টের ব্যক্তিগত সুপারভিশন ছাড়া কোন ব্যক্তি কোন ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয় করতে পারবে না।
  • ১৪তম ধারা: লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ছাড়া কোন ব্যক্তি, ওষুধের ব্যবহার বা চিকিৎসার দাবী সম্পর্কিত কোন বিজ্ঞাপন প্রচার করতে বা প্রচারের অংশ হতে পারবে না।
  • ১৬তম ধারা - কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রয়ের শাস্তি: যে ব্যক্তি অনিবন্ধিত বা ভেজাল মিশ্রিত কোন ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, বন্টন ও বিক্রয় করবে, সে শাস্তি হিসাবে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যা ১০ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে।
  • ১৭তম ধারা - নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রয়ের শাস্তি: শাস্তি হিসাবে ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যা ৫ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে।
  • ১৮তম ধারা - অবৈধভাবে ওষুধ আমদানির শাস্তি: শাস্তি হিসাবে ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যা ৩ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে।
  • ১৯তম ধারা - ওষুধ বেশি দামে বিক্রি বা ফার্মাসিউটিক্যালের কাচাঁমাল বেশি দামে আমদানি ও বিক্রির শাস্তি: শাস্তি হিসাবে ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যা ২ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে।
  • ২০তম ধারা - সরকারি ওষুধ চুরির শাস্তি: শাস্তি হিসাবে ব্যক্তি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যা ১০ বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত হতে পারে বা ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় শাস্তি পেতে পারে।
  • ২১তম ধারা - বেআইনী বিজ্ঞাপন ও দাবীর শাস্তি: শাস্তি হিসাবে ব্যক্তির ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
  • ২২তম ধারা - কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর:

ক) এই অধ্যাদেশের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ অআমলযোগ্য হবে।

খ) এই অধ্যাদেশের অধীনে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধের বিচার ওষুধ আদালত (ড্রাগ কোর্ট) ব্যতীত অন্য কোন আদালত করতে পারবে না।

  • ২৩তম ধারা: সরকার অফিসিয়াল গেজেট/প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে যতগুলি ওষুধ কোর্ট দরকার ততগুলি গঠন করতে পারে এবং যেখানে একটির বেশি ওষুধ কোর্ট থাকবে সেখানে তাদের স্থানিক সীমানা নির্ধারণ করে দিতে পারে যাতে আইনের অধীনে তাদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। ওষুধ কোর্ট সেশন জজ ও সরকার দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি দ্বারা গঠিত হয়।
  • ২৪তম ধারা:

ক) সরকার, জাতীয় ওষুধ অ্যাডভাইজারী কাউন্সিল গঠন করবে যেখানে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্য সময়ে সময়ে নিয়োগ পাবেন। দেশের চাহিদা মিটানোর জন্য স্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্য কাউন্সিল ব্যবস্থা নেবে।

খ) বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও ব্যক্তি যারা ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, বন্টন ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত, কাউন্সিল তাদের কার্যক্রম সমন্বয়ের ব্যবস্থা নেবে।

  • ২৫তম ধারা: সরকার অফিসিয়াল গেজেটে প্রজ্ঞাপণ জারির মাধ্যমে এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পালনের জন্য বিধিমালা তৈরি করতে পারবে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন (Narcotics Control Act), ১৯৯০

মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ মাদক ও মনোরোগের ওষুধ/দ্রব্যাদি এবং চিকিৎসা ও মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন নিয়ন্ত্রণ করে। এই আইনের সারাংশ নিচে দেয়া হলো:

মাদক প্রেসক্রিপশন করতে বাধা

১) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোন ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে কোন এ-শ্রেণি অথবা বি-শ্রেণির মাদককে ওষুধ হিসাবে লিখবে না;

২) ডাক্তার ছাড়া কোন ব্যক্তি প্রেসক্রিপশনে কোন সি-শ্রেণির মাদককে ওষুধ হিসাবে লিখবে না;

৩) উপধারা (১) বা (২) অনুযায়ী প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি কোন মাদক একবারের বেশি কিনতে পারবে না।

কোন দোকান সাময়িকভাবে বন্ধ করার ক্ষমতা

১) যদি একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা একজন পুলিশ কমিশনার তার সীমানার মধ্যে কোন মাদকের দোকানের আইন-শৃংখলা নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকে, তাহলে দোকানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে পারে। লিখিত আদেশক্রমে, সর্বোচ্চ ১৫ দিন বন্ধ করে দিতে পারে, যা বোর্ডের অনুমতিক্রমে আরো ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে।

২) উপধারা (১) অনুযায়ী একটি আদেশের কপি সাথে সাথে মহাপরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কাছে তার তথ্যের জন্য পাঠাতে হবে।

মোবাইল কোর্ট আইন (The Mobile Court Act), ২০০৯

মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ সিডিউলের অধীনে ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২ তালিকাভুক্ত।

ভোক্তার অধিকার রক্ষার আইন (The Consumers' Right Protection Act), ২০০৯

এই আইন ওষুধ বা সেবা নির্ধারিত দামের চাইতে বেশি দামে বিক্রি করা, ভেজাল ওষুধ জেনে বিক্রি করা, ভেজাল ওষুধ উৎপাদন করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করা এ বিষয়গুলি দেখে। এই আইন এধরনের অপরাধের জরিমানা ও শাস্তি নির্ধারণ করে।

 

No comments:

Post a Comment